আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছেড়ে আইপিএলে , দুঃখ হচ্ছে আফ্রিদির

সেই ২০০৮ সাল। সেবার আইপিএলে খেলেছিলেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। সেটাই প্রথম এবং এখন পর্যন্ত সেটাই শেষ। সেই বছরের ২৬ নভেম্বর মুম্বাইয়ের হোটেল তাজ ও অন্যান্য জায়গায় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের জন্য আইপিএলের দরজা বন্ধ হয়ে যায়। আফ্রিদিও তাই আইপিএলের একটা আসরেই খেলতে পেরেছেন। আর ১৩ বছর পর আইপিএলের বাড়বাড়ন্ত দেখে তার দুঃখই হচ্ছে।সর্বশেষ ২০১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল ভারত। এরপর টানা পাঁচ সিরিজে প্রোটিয়াদের মাঠে জিততে পারেনি কোনো দল।

ষষ্ঠবারে এসে সেই দুর্গ ভাঙলো পাকিস্তান। বাবর আজমের দল ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে প্রোটিয়াদের। এত বড় অর্জন, পাকিস্তানিদের তো খুশিই হওয়ার কথা। কিন্তু খুশি হতে পারছেন না পাকিস্তানের কিংবদন্তি অলরাউন্ডার শহিদ আফ্রিদি। সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে যে বলতে গেলে দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা!

ডেভিড মিলার, কুইন্টন ডি কক, অ্যানরিচ নর্টজে, কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিদির মতো সেরা একাদশের তারকারা জাতীয় দলের খেলা ছেড়ে চলে গেছেন আইপিএলে। বিষয়টি কিছুতেই মানতে পারছেন না আফ্রিদি।

দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ড কিভাবে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের জন্য আন্তর্জাতিক সিরিজকে পাশ কাটিয়ে ক্রিকেটারদের ছেড়ে দিল, প্রশ্ন আফ্রিদির। তিনি এক টুইটে লিখেছেন, ‘ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা আইপিএল খেলার জন্য সিরিজের মাঝপথে খেলোয়াড়দের ছেড়ে দেয়ায় বিস্মিত হয়েছি। টি-টোয়েন্টি লিগের প্রভাব আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এভাবে পড়ছে, দেখে খুব খারাপ লাগছে। এসব নিয়ে আসলেও ভাবা উচিত।’

নর্টজে আর রাবাদা আইপিএলে খেলেন দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে। ডি কক মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবং এনগিদি চেন্নাই সুপার কিংসের প্রতিনিধিত্ব করেন। মিলার গেছেন রাজস্থান রয়্যালস শিবিরে যোগ দিতে। ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচ তো খেলতে পারেননি, পাকিস্তানের বিপক্ষে চার ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও তারা কেউ থাকবেন না।

About admin

Check Also

আমার খুব জল তেষ্টা পাচ্ছে আর খিদে পাচ্ছে-ঃ ওয়ার্নার

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ আইপিএলের শুরুটা মোটেও ভাল করেনি। এতে অবশ্য দলের সংহতিতে এতটুকু চিড় ধরেনি। যে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *