দলে সিনিয়রদের না পেয়ে হতাশ নন সোহান

বাংলাদেশ দলের অষ্টম টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে নাম লেখাতে যাচ্ছেন কাজী নুরুল হাসান সোহান। কাগজে-কলমে নেতৃত্ব পেলেও মাঠে নেতৃত্ব দেবেন চলতি মাসে জিম্বাবুয়ে সফরের তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে। সোহানের নেতৃত্ব পাওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে প্রায় পাঁচ বছর নেতৃত্ব দেওয়া মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বের অধ্যায়। মাহমুদউল্লাহ শুধু নেতৃত্ব হারাননি, জায়গাও হারিয়েছেন দলে।

মাহমুদউল্লাহ ছাড়াও দলে নেই সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। উইন্ডিজ সফর চলাকালে তামিম ইকবালও অবসরের ঘোষণা দেন টি-টোয়েন্টি সংস্করণ থেকে।

চার সিনিয়রকে ছাড়া তরুণ একটা দল নিয়ে নিজের প্রথম অ্যাসাইনমেন্টে নামতে হবে তাকে। দলে সিনিয়রদের না পেয়ে সোহান হতাশ নন, বরং নিজেদের প্রমাণের বড় সুযোগ দেখছেন।

‘বাংলাদেশ ক্রিকেটে আমাদের সিনিয়র যারা আছেন, তাদের অবদান একটা-দুইটা কথায় শেষ করতে পারব না। একটা জিনিস হচ্ছে যেটা সবকিছুই একটা প্রসেসের ভেতর আছে। এটা আমাদের জন্য একটা বড় সুযোগ। কারণ, তারা বাংলাদেশ দলকে একটা জায়গায় নিয়ে এসেছেন। তো আমরা যারা খেলতেছি, জুনিয়র যারা আছে, তাদের দায়িত্ব হচ্ছে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাওয়া।’

এর আগে বেশ কয়েকজন অধিনায়কের অধীনে আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেটে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন সোহান। চেষ্টা করেছেন সবার কাছ থেকেই কিছু না কিছু নেওয়ার। সেই অভিজ্ঞতাগুলো কাজে লাগানোর কথা জানিয়েছেন তিনি।

‘আমি যখন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট শুরু করি, তখন রিয়াদ ভাই ছিল আমার ক্যাপ্টেন। তো তখন থেকেই তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। সত্যি বললে আমাদের যে পাঁচজন সিনিয়র ক্রিকেটার আছেন… মাশরাফী ভাই হয়তো এখন নেই। তো সবার কাছেই অনেক কিছু শেখার আছে। একটা ব্যাপার হচ্ছে, সবাই ডিফরেন্ট থাকে। তো অবশ্যই তাদের কাছ থেকে যা পেয়েছি, সেটা ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।’

হঠাৎ করে নেতৃত্ব পাওয়া নিয়ে সোহান বলেন, ‘এটা একটা প্রসেসের ভেতর আছে। আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে আসার পর আমাদের সঙ্গে কথা হয়েছে সিলেক্টরদের। ব্যপারটা (অধিনায়কত্ব) যখন আমাকে জানানো হলো, তখন কথা হয়েছে। এখানে অপশনও বেশি একটা ছিল যে, তা না। তো আমার কাছে মনে হয় যে লাস্ট কয়েক বছর ধরে আমরা যারা খেলছি, তারাই খেলছে। এখানে এমন কিছু না যে অনেক কিছু আলোচনা করার সময়ও ছিল। আমার কাছে মনে হয় যে দলটা পেয়েছিল আলহামদুলিল্লাহ খুশি।’

জিম্বাবুয়ে সফরের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে সোহান বলেন, ‘আমার কাছে মূল যে জিনিসটা সেটা ফিয়ারলেস ক্রিকেট খেলা। হয়তো এখানে আগে থেকে চিন্তা করলে অনেক সময় প্রসেসটা ঠিক থাকে না। আমার কাছে যেটা মনে হয় যে ফিয়ারলেস থাকলে পজিটিভ রেজাল্টটা আসবে।

About রাসেল আহমেদ

Check Also

আরব আমিরাতে এমন খারাপ দিন দেখেনি রশিদ খান

এবারের এশিয়া কাপের আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ১৯টি। কিন্তু এমন দিন দেখতে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *